9.1 C
New York
Sunday, April 18, 2021

বউ বউ করে ম’রেই গেলো আমার ছেলেটা..

‘বউ বউ করে ম’রেই গেলো আমার ছেলেটা। বলেছিলাম আবার বিয়ে করাবো। কিন্তু বউয়ের প্রতি এতো ভালোবাসা, এতো টান ছিল অবশেষে জীবন দিয়ে দিল।’ ছেলে মা’রা যাবার শো’কে এভাবেই শোকে বি’লাপ করছিলেন আ”ত্ম হ”ত্যাকা’রী যুবক আলমগীরের (২৫) মা ফাতেমা খাতুন।

মঙ্গলবার (২ মার্চ) চট্টগ্রামের রাউজান পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের গহিরা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আ”ত্ম হন’নকারী মো. আলমগীর এলাকার মৃ’ত জহুরুল ইসলামের ছেলে। নিহ’তের মা ফাতেমা খাতুন ও প্রতিবেশীর সূত্রে জানা যায়,

গত আড়াই বছর পূর্বে আলমগীরের সঙ্গে উপজেলার ডাবুয়া ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের খৈয়াখালি গ্রামের জেরিন আকতারের সাথে পারিবারিকভাবে বিয়ে হয়। বিয়ের তিনমাস পর দুবাই চলে যান আলমগীর। করোনা ভাইরাস ম’হামারিকালীন দেশে ফেরার পর বেকার হয়ে পড়ে আলমগীর।

এরপর থেকে স্ত্রী তার স্বামীকে একাধিকবার ডিভো’র্স দেওয়ার কথা জানিয়েছিল। ৪ মাস পূর্বে মুখ দিয়ে স্বামীকে তালা’ক দেওয়ার কথা বের করায় পুনরায় কাবিনও হয়েছিল। এরপর গত তিনমাস আগে স্ত্রী তার বাপের বাড়িতে চলে যান। সেখান থেকে স্ত্রী জেরিন স্বেচ্ছায় তার স্বামীকে ডিভো’র্স দিয়ে দেন।

পোস্ট অফিসের মাধ্যমে ডিভো’র্স লেটার পেয়ে মেয়ে পক্ষের দেওয়া আসবাবপত্র পাঠিয়ে দেন আলমগীরের পরিবার। কিন্তু আলমগীর তার স্ত্রীকে ডিভো’র্স দেওয়ার পক্ষে ছিলো না। স্ত্রীকে বার বার ঘরে ফেরার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হওয়ায় সর্বশেষ নিজ শয়নকক্ষে ফাঁ”সিতে ঝু”লে আ”ত্ম হ”ত্যা করেন।

আ”ত্মহন”নকা’রীর মা ফাতেমা খাতুন বলেন, বউ যেহেতু কাবিনের টাকা দাবি ছাড়া স্বেচ্ছায় ডিভো’র্স দিয়েছে, সেখানে আমাদের করণীয় কিছুই থাকে না। আইনি প্রক্রিয়ায় ডিভো’র্স দিয়েছে তাতে বলারও কিছু নেই।

এই বিষয়ে রাউজান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবদুল্লাহ আল হারুন বলেন, ‘আমি নিজে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। মূল রহস্য উ’দঘাটনের চেষ্টা চলছে। ম’য়নাত’দন্তের জন্য ম’র্গে প্রেরণ করা হবে।’

Related Articles

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

Stay Connected

21,790ভক্তমত
2,739অনুগামিবৃন্দঅনুসরণ করা
0গ্রাহকদেরসাবস্ক্রাইব

Latest Articles