9.1 C
New York
Sunday, April 18, 2021

কওমি মাদ্রাসা নির্মাণের জন্য পাহাড় কাটায় ৭৮ লাখ টাকা জ’রিমানা

চট্টগ্রামের হাটহাজারী উপজেলার জালালাবাদ এলাকায় একটি কওমি মাদ্রাসা নির্মাণের জন্য পাহাড় কাটার অপরাধে এক মাদ্রাসা পরিচালকের ৭৮ লাখ ৭ হাজার ৫০০ টাকা জরিমানা করেছে পরিবেশ অধিদপ্তর।

পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিচালক রুবিনা ফেরদৌস স্বাক্ষরিত একটি চিঠির মাধ্যমে এই জরিমানার কথা জানা যায়। অর্থদণ্ড পাওয়া মাদ্রাসা পরিচালকের নাম হাফেজ মো. তৈয়ব। তিনি হাটহাজারী উপজেলার জালালাবাদ তালীমুল কুরআন মাদ্রাসার পরিচালক।

তার বিরুদ্ধে জালালাবাদ আরেফিন নগরে চারটি স্থানে সর্বমোট এক লাখ ৫৬ হাজার ১৫০ ঘনফুট পাহাড় কাটার প্রমাণ পেয়েছে পরিবেশ অধিদপ্তর। সোমবার দুপুরে জরিমানার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পরিবেশ অধিদপ্তর চট্টগ্রাম মহানগরের উপ-পরিচালক মিয়া মাহমুদুল হক।

তিনি বলেন, গত ৩১ মার্চ পরিবেশ অধিদপ্তরে এক শুনানি হয়। শুনানিতে পাহাড় কাটার অপরাধে হাফেজ মো. তৈয়বকে ৭৮ লাখ ৭ হাজার ৫০০ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। হাফেজ মো. সৈয়দের কাছে পাঠানো রুবিনা ফেরদৌস স্বাক্ষরিত চিঠিতে বলা হয়েছে, ‘সরেজমিন পরিদর্শন করে আপনার বিরুদ্ধে অনুমতি ছাড়া পাহাড় কাটার প্রমাণ পেয়েছে পরিবেশ অধিদপ্তর চট্টগ্রাম মহানগর কার্যালয়ের একটি টিম।

‘এর প্রেক্ষিতে আপনাকে শুনানির জন্য পর পর তিনবার নোটিশ প্রদান করা হলেও আপনি বা আপনার প্রতিনিধি শুনানিতে হাজির হননি। পরবর্তীতে পরিবেশ অধিদপ্তর চট্টগ্রাম মহানগর কার্যালয়ের প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে দেখা যায়, আপনি জালালাবাদ আরেফিন নগরে চারটি স্থানে সর্বমোট এক লাখ ৫৬ হাজার ১৫০ ঘনফুট পাহাড় কেটেছেন।

‘এই অপরাধে আপনাকে বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫ (সংশোধিত ২০১০) এর ধারা ৭ অনুযায়ী প্রতিবেশগত ক্ষতিসাধনের দায়ে এনভায়রনমেন্টাল ড্যামেজ অ্যাসেসমেন্ট পদ্ধতিতে ৭৮ লাখ ৭ হাজার ৫০০ টাকা জরিমানা করা হলো।’

পরিবেশ অধিদপ্তর চট্টগ্রাম মহানগরের উপ-পরিচালক মিয়া মাহমুদুল হক বলেন, জ’রিমানা করা টাকা আগামী ১৫ এপ্রিলের মধ্যে পরিশোধের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। পাশাপাশি যেসব পাহাড় কাটা হয়েছে সেগুলো পূর্বের অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে অ’ভিযুক্তকে তিন মাসের সময় দেয়া হয়েছে। অন্যথায় অ’ভিযুক্ত ব্যক্তির বিরু’দ্ধে মা”মলা দায়ের করা হবে।

এই বিষয়ে জানতে জালালাবাদ তালীমুল কুরআন মাদ্রাসার পরিচালক হাফেজ মো. তৈয়বকে একাধিবার ফোন করা হলেও তার ফোন বন্ধ পাওয়া গেছে। তবে ওই মাদ্রাসার অফিস সহকারী বেলাল হোসেন বলেন,

আমাদের মাদ্রাসা পাহাড়ে অবস্থিত। তবে পাহাড় কাটার বিষয়টি বড় হুজুর জানবেন। জরিমানার বিষয়টিও জানি না। জালালাবাদ তালীমুল কুরআন মাদ্রাসায় হেফজখানা ও নুরানী বিভাগ রয়েছে। মাদ্রাসাটিতে প্রায় ২৫০ জন শিক্ষার্থী পড়ালেখা করছে। সূত্রঃ টিডিসি

Related Articles

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

Stay Connected

21,790ভক্তমত
2,739অনুগামিবৃন্দঅনুসরণ করা
0গ্রাহকদেরসাবস্ক্রাইব

Latest Articles